দৃষ্টি আকর্ষন
সব সময় সর্বশেষ সংবাদ জানতে দৈনিক দেশপ্রেম নিজে পড়ুন এবং অন্যকে পড়তে উৎসাহিত করুন ........... আপনার এলাকার যে কোন সংবাদ আমাদের ছবিসহ জানান-আমরা সেটি প্রকাশ করবো দৈনিক দেশপ্রেম পত্রিকায়, নিউজ পাঠান dailydeshprem@gmail.com এই ইমেইলে ............ আপনার পণ্যের খবর সকলের কাছে দ্রুত পৌছাতে দৈনিক দেশপ্রেম পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিন ..........
শিরোনাম :
বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশনের আলোচনা সভা, সবজি বীজ ও বিভিন্ন ধরনের জৈব সার বিতরণ সমৃদ্ধ ও টেকসই বাংলাদেশ গঠনে পেশাজীবীদের অগ্রণী ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা, রাজধানীতে ছাদ কৃষির জন্য সবজি বীজ বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জুলাই যোদ্ধাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সনদে জরুরি সংশোধন হচ্ছে : ড. আলী রীয়াজ জুলাই সনদ স্বাক্ষর নিয়ে সংসদ ভবন এলাকায় উদ্ভুত পরিস্থিতিকে সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত মনে করছি : মঈন খান জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানস্থলে তিন দাবিতে অবস্থান জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা জাতীয় ঐক্যের নামে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে : জাতীয় শ্রমিক শক্তির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে নাহিদ কোনো অবস্থাতেই ফ্যাসিস্টদের আর ক্ষমতায় আসতে দেওয়া যাবে না : সালাহউদ্দিন তারেক রহমানের ৩১ দফার আংশিক প্রতিফলন জুলাই সনদে হয়েছে : এমরান সালেহ প্রিন্স ঠাকুরগাঁওয়ে সার কীটনাশক সিন্ডিকেটের বিষদাঁত ভেঙে দেওয়া হবে : ফারুক হাসান বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চিকেন অ্যানিমিয়া ভাইরাসের নতুন ধরন শনাক্ত
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ১২৮ কোটি টাকা

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ১২৮ কোটি টাকা

অর্থ-বানিজ্য ডেস্ক, ২১ জুলাই ২১১৯ ইং (দেশপ্রেম রিপোর্ট): টানাটানির সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরানোর দশা শামিমের পরিবারের। অথচ তাদের এক মাসের বিদ্যুতের বিল এসেছে ১২৮ কোটি টাকা, যা প্রায় একটা গোটা শহরের বিলের সমান। বিল দেখে মাথায় হাত হতদরিদ্র এই পরিবারের। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের হাপুর জেলার চামারি গ্রামে।
দেশটির রাজধানী দিল্লি থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে উত্তরপ্রদেশের হাপুর জেলার চামরি গ্রামে সপরিবারে বাস করেন শামিম। কষ্টেশিষ্টে বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়েছিলেন। তাতেই এই পরিণতি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শামিম জানিয়েছেন, তাদের বাড়িতে ২ কিলোওয়াটের বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে।
আলো-পাখা মিলিয়ে প্রতি মাসে ৭০০ টাকার মতো বিল আসে। কিন্তু সম্প্রতি বিল হাতে পেয়ে চোখ কপালে ওঠে তার। তাতে ১২৮ কোটি ৪৫ লক্ষ ৯৫ হাজার ৪৪৪ টাকা মেটাতে বলা হয়। শামিমের দাবি, প্রথমে কিছুই বুঝে উঠতে পারেননি তিনি। সম্বিৎ ফিরলে ছুটে যান বিদ্যুৎ দপ্তরে। হিসাবে কোথাও ভুল হয়েছে বলে জানান। কিন্তু তার কথা কানে তোলেননি কেউ। ওই টাকা মেটানোর সামর্থ্য ছিল না তার। তাই টাকা জমা দেওয়ার নির্ধারিত দিন পেরিয়ে গেলে বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়া হয়।
সংবাদ সংস্থা এএনআই কে শামিম জানান, ‘কেউ আমাদের কথা শুনছে না। এত টাকা কী করে দিই বলুন তো? শুধু আলো-পাখা ব্যবহার করি আমরা। তাতে এত বিল হয় কী করে? মনে হচ্ছে, গোটা হাপুরের বিলই পাঠিয়ে দিয়েছে। অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলাম। কিন্তু বিল না মেটালে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে বিদ্যুত্ দফতর।’ বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিদ্যুৎ দপ্তরে যোগাযোগ করা হলে, তাদের ইঞ্জিনিয়ার রাম শরণ বলেন, ‘সম্ভবত প্রযুক্তিগত ভুল হয়েছে। এটা এমন কিছু বড় ব্যাপার নয়।
আকছার হয়েই থাকে। বিলটি হাতে পেলে, সবকিছু খতিয়ে দেখব আমরা। ভুল হয়ে থাকলে, তা সংশোধন করে নতুন বিল দেওয়া হবে ওই পরিবারকে’। এর আগে, চলতি বছর জানুয়ারি মাসে একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন কনৌজের বাসিন্দা আবদুল বসিত। বাড়িতে ২ কিলোওয়াটের বিদ্যুৎ সংযোগ থাকা সত্ত্বেও তাকে ২৩ কোটির বিল ধরানো হয়। আট লক্ষ ৬৪ হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল পেয়ে গত বছর মে মাসে আত্মহত্যা করেছিলেন মহারাষ্ট্রের অওরঙ্গাবাদের এক সবজি বিক্রেতা। সেই ঘটনায় গাফিতলির অভিযোগে বিদ্যুৎ দপ্তরের অ্যাকাউন্ট অ্যাসিস্ট্যান্টকে সাসপেন্ড করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© Copyright 2012 Daily Deshprem Design & Developed By Mahmud IT