দৃষ্টি আকর্ষন
সব সময় সর্বশেষ সংবাদ জানতে দৈনিক দেশপ্রেম নিজে পড়ুন এবং অন্যকে পড়তে উৎসাহিত করুন ........... আপনার এলাকার যে কোন সংবাদ আমাদের ছবিসহ জানান-আমরা সেটি প্রকাশ করবো দৈনিক দেশপ্রেম পত্রিকায়, নিউজ পাঠান dailydeshprem@gmail.com এই ইমেইলে ............ আপনার পণ্যের খবর সকলের কাছে দ্রুত পৌছাতে দৈনিক দেশপ্রেম পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিন ..........
শিরোনাম :
বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশনের আলোচনা সভা, সবজি বীজ ও বিভিন্ন ধরনের জৈব সার বিতরণ সমৃদ্ধ ও টেকসই বাংলাদেশ গঠনে পেশাজীবীদের অগ্রণী ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা, রাজধানীতে ছাদ কৃষির জন্য সবজি বীজ বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জুলাই যোদ্ধাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সনদে জরুরি সংশোধন হচ্ছে : ড. আলী রীয়াজ জুলাই সনদ স্বাক্ষর নিয়ে সংসদ ভবন এলাকায় উদ্ভুত পরিস্থিতিকে সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত মনে করছি : মঈন খান জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানস্থলে তিন দাবিতে অবস্থান জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা জাতীয় ঐক্যের নামে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে : জাতীয় শ্রমিক শক্তির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে নাহিদ কোনো অবস্থাতেই ফ্যাসিস্টদের আর ক্ষমতায় আসতে দেওয়া যাবে না : সালাহউদ্দিন তারেক রহমানের ৩১ দফার আংশিক প্রতিফলন জুলাই সনদে হয়েছে : এমরান সালেহ প্রিন্স ঠাকুরগাঁওয়ে সার কীটনাশক সিন্ডিকেটের বিষদাঁত ভেঙে দেওয়া হবে : ফারুক হাসান বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চিকেন অ্যানিমিয়া ভাইরাসের নতুন ধরন শনাক্ত
জস বাটলার ৮টি ফাইনাল খেলে ৭টিতে হেরেছেন

জস বাটলার ৮টি ফাইনাল খেলে ৭টিতে হেরেছেন

স্পোর্টস ডেস্ক, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ইং (দেশপ্রেম রিপোর্ট): বাটলার বলেছেন, ‘আমি সবচেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম একটা কথা ভেবে— হেরে যাওয়ার পরে আর কীভাবে ক্রিকেট খেলে যেতে পারব। জানতাম, এ রকম সুযোগ হয়তো জীবনে আর আসবে না। লর্ডসে বিশ্বকাপ ফাইনাল। এর চেয়ে বড় মঞ্চ আর কী হতে পারে। আর আমি ভাবছিলাম, এ বারও যদি ট্রফি জিততে না পারি, তা হলে হয়তো অনেক, অনেক দিন ব্যাট হাতে তুলতে পারব না।’

বাটলার জানিয়েছেন, মনোবীদ ইয়ংয়ের সঙ্গে কথা বলে উপকৃত হয়েছিলেন তিনি। তবে শুধু ফাইনাল নয়, বিশ্বকাপের মাঝপথেও এ রকম অস্তিত্ব সঙ্কটে ভুগেছিলেন বাটলার। যখন মনে হয়েছিল, সেমিফাইনালের আগেই হয়তো ছিটকে যাবে ইংল্যান্ড। বাটলার বলেছেন, ‘ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগেও ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। কিছুতেই মানতে পারছিলাম না যে, একটা ম্যাচ হারলে আমাদের বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়ে যাবে। একটা ম্যাচ হারলেই চার বছরের পরিশ্রম জলে চলে যাবে।’

বাটলার ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন এই ভেবে যে, সেমিফাইনালের আগে ছিটকে গেলে কী রকম প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হতে পারে তাঁদের। ‘আমাদেরও হয়তো চোকার্স বলা শুরু হত। আরও কী কী বলা হত কে জানে। যত এ সব ভেবেছি, তত মনে যেন ভয় ঢুকে গিয়েছিল,’ বলেছেন বাটলার।

ফাইনালে বাটলার ৫৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছিলেন। এর পরে সুপার ওভারে এসেও ভাল খেলেন। সুপার ওভারের শেষ বলে জিততে গেলে নিউজিল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল দু’রান। ব্যাট করছিলেন গাপটিল। কী মনে হচ্ছিল শেষ বলের আগে? প্রশ্নের জবাবে বাটলার বলেন, ‘বাইরে থেকে দেখে হয়তো আপনাদের মনে হতে পারে, ওই সময় সবাই নার্ভাস থাকবে। কিন্তু ক্রিকেটার হিসেবে বলব, ওই সময় মাঠের বাইরে থাকার চেয়ে মাঠের ভিতরে থাকা অনেক ভাল। কারণ, তা হলে ম্যাচটার ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করা যায়।’

সেটাই করেছিলেন বাটলার। বিশ্বকাপের ভাগ্য ঠিক করে দেন মুহূর্তের তৎপরতায়। ‘গাপটিল বলটা লেগ সাইডে ঠেলেছিল। জ্যাসন (রয়) যখন বলটা ধরে, আমার মনে হয়েছিল থ্রোটা ঠিক হলে আমরা ম্যাচটা জিতে যাব। জানতাম, গাপটিল ক্রিজের কাছাকাছিও পৌঁছতে পারবে না। চাপের মুখে ওই সময় বলটা ঠিকঠাক ধরা হয়তো সহজ ছিল না। কিন্তু জানতাম, কাজটা করতে পারব। ফাইনাল হলেও তো ব্যাপারটা অন্যরকম কিছু ছিল না। বলটা ধরে স্ট্যাম্প ভেঙে দেওয়া। সেটা করতে পেরেছিলাম,’ বলেছেন বাটলার।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© Copyright 2012 Daily Deshprem Design & Developed By Mahmud IT