ঢাকা, ২৪ এপ্রিল ২০২০ইং (দেশপ্রেম রিপোর্ট): করোনায় সবকিছু থমকে গেছে। সংক্রমণ এড়াতে মসজিদে জামাতে নামাজ আদায়সহ অনেক কিছুতে বিধিনিষেধ দেয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। এরইমধ্যে রমজান চলে আসায় তারাবির নামাজে সর্বোচ্চ ১২জন অংশ নিতে পারবে বলে নির্দেশনা দেয় ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। তবে যারা এই নির্দেশনা না মানবে তাদের জন্য স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে বলে জানানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে।
রমজান মাসে এশার জামাত ও তারাবির নামাজে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব, খাদেম ও দুইজন হাফেজসহ সর্বোচ্চ ১২ জন অংশগ্রহণ করতে পারবেন। বাকিদের ঘরে বসে আদায় করতে হবে।
শুক্রবার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ সম্পর্কে নির্দেশনা দেয়া হয়। এতে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করায় বাংলাদেশে যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান পরিস্থিতিতে মুসলিম জনসাধারণকে মসজিদে প্রতি ওয়াক্ত নামাজে সর্বোচ্চ ৫ জন এবং জুমার নামাজে সর্বোচ্চ ১০ জন মুসল্লির উপস্থিতিতে নামাজ আদায় করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করে গত ৬ এপ্রিল বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। আগের বিজ্ঞপ্তির ধারাবাহিকতায় নতুন এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আসন্ন পবিত্র মাহে রমজানে এশার জামায়াতে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব, খাদিম ও দুইজন হাফেজসহ সর্বোচ্চ ১২ জন অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এশার জামায়াত শেষে এ ১২ জনই মসজিদে তারাবির নামাজে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। অন্যান্য মুসল্লিরা নিজ নিজ ঘরে এশা ও তারাবির নামাজ আদায় করবেন। সবাই ব্যক্তিগতভাবে তেলাওয়াত, জিকির ও দোয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহর রহমত ও বিপদ মুক্তির প্রার্থনা করবেন।
প্রত্যেকের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করার স্বার্থে মাহে রমজান উপলক্ষে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ইফতার মাহফিলের আয়োজন বা যোগদানের করতে পারবেন না বলে নির্দেশনা উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্দেশনা লঙ্ঘিত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে দেশে শনি বা রবিবার থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে।
Leave a Reply