ঢাকা, ২৯ জুন ২০২৫ইং (দৈনিক দেশপ্রেম রিপোর্ট): আজ রোববার (২৯ জুন) গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ফেব্রুয়ারিতেই সংসদ নির্বাচন হবে। আগামী নির্বাচন ব্যাহত করার চেষ্টা করে লাভ নেই। নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে না হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখছেন না তিনি।
দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে কানাডিয়ান হাইকমিশনার অজিত সিংয়ের সাক্ষাতের পর প্রেস ব্রিফিং করেন আমীর খসরু। ওই সাক্ষাতের সময় আমীর খসরু এবং দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।
গতকাল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসমাবেশে দেওয়া বিভিন্ন ইসলামী দলের নেতাদের বক্তব্যে ‘আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে’র দাবি ওঠে। এ বিষয়ে আমীর খসরু মাহমুদের কাছে জানতে চান সাংবাদিকরা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে হবে না এ রকম কোনো লক্ষণ আমি দেখছি না। শুধু শুধু এটাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার দরকার তো নেই। আমি দেখছি নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হচ্ছে।’
আমীর খসরু বলেন, ‘সারা দেশ নির্বাচনে নেমে পড়েছে। সারা দেশের মানুষ প্রস্তুতি নিচ্ছে ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের জন্য। নির্বাচন কমিশন প্রস্তুতি নিচ্ছে, তারা তৈরি আছে। যে বিষয়টা হয় নাই, এটাকে শুধু শুধু প্রশ্নবিদ্ধ করে, আননেসেসারি আগামী নির্বাচনকে ব্যাহত করার চেষ্টা করে তো কোনো লাভ নাই।’
আর দ্বিমত তো থাকবেই- এমন মন্বতব্য করে আমীর খসরু বলেন, ‘যেকোনো প্রেক্ষাপটে দ্বিমত থাকবে। আপনি যখনই যেটা বলবেন, রাজনৈতিক দলের মধ্যে দ্বিমত থাকবে। এটাতে কোনো অসুবিধা নাই। দ্বিমত পোষণ করার অধিকার সকলের আছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে আমীর খসরু বলেন, শুধু এখানে না সারাদেশে ধর্ষণের ঘটনা বিভিন্ন জায়গায় ঘটছে… অনেক কিছু রিপোর্ট হচ্ছে না। এটার বিরুদ্ধে সরকারকে আরও সক্ষম হতে হবে, আরও তাদের নজরদারি বাড়াতে হবে।
তিনি বলেন, এই সব ধর্ষণের ঘটনার রাজনীতিকরণ করা হচ্ছে। যারা এসব ঘটনা ঘটিয়ে আগামী দিনে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার সুযোগ খুঁজছে, দুর্ভাগ্যবশত তাদের সেটা সফল হওয়ার সুযোগ নাই। কারণ এসবের মাধ্যমে, এটাকে রাজনীতিকরণের মাধ্যমে মানুষের চোখ অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কুমিল্লায় কারা ওই ঘটনা ঘটিয়েছে, এটা সবাই জানে। আমি যতটুকু জেনেছি, এটা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত এ রকম কেউ ঘটিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও এসেছে, বিভিন্ন পত্রিকায়ও খবরটি এসেছে।’
আমীর খসরু বলেন, ‘আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশের সাথে সম্পর্ক থাকতে হবে। তবে সম্পর্ক থাকার জন্য তো কতগুলো প্রিকন্ডিশন থাকে। সম্পর্ক যদি রাখতে হয় বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্কটা হতে হবে পারস্পরিক সন্মানবোধের আলোকে। এই সম্পর্কটা হতে হবে পরস্পরের প্রতি স্বার্থরক্ষার স্বার্থে। এই সম্পর্কটা হতে হবে যেখানে কোনো অভ্যন্তরীন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার সুযোগ থাকবে না। এই বিষয়গুলো তো সামনে থাকতে হবে। এই বিষয়গুলো যখন নিশ্চিত করা যাবে, আমি মনে করি, আমাদের সম্পর্কটা এগিয়ে নিয়ে যাওয়াটা আরও সহজ হবে।’
Leave a Reply