ঢাকা, ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ইং (দেশপ্রেম রিপোর্ট): আজ দুপুর একটায় ডিএমপির সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, শনিবার রাতে সিগন্যাল পড়ায় সাইন্সল্যাবের ওই রাস্তাটি ফাঁকা ছিল। রাস্তায় শুধুমাত্র ট্রাফিক পুলিশের সদস্য এবং এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলামের গাড়ি বহরের এএসআই এবি শাহাবুদ্দিন ছিলেন। ঠিক তখনই বোমা হামলার ঘটনাটি ঘটে। এতেই মনে হয়, হামলার মূল টার্গেট ছিল পুলিশ। কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এই হামলা চালিয়েছে। পুলিশকে টার্গেট করেই মূলত তাদের হামলা।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, গুলশানে সিজার হত্যা ও হলি আর্টিজানে হামলাসহ রাজধানীতে যে কয়েকটি জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছে তার প্রত্যেকটি তদন্ত করে জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের যেভাবে দমন করা হয়েছে তাতে পুলিশের ওপর ক্ষোভ থাকাটা স্বাভাবিক। এছাড়া রাজনৈতিক সন্ত্রাসীরা ২০১৩ সালের পর যেভাবে পুলিশের ওপর আক্রমণ ও দেশে একটা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির তৈরি করেছিল, সেবব ঘটনাতেও পুলিশ সন্ত্রাসীদের দমন করেছে। একারণে ওইসব সন্ত্রাসীদেরও পুলিশের ওপর ক্ষোভ থাকতে পারে।
তিনি আরও বলেন, রাজধানীর গুলিস্তানে ট্রাফিক পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা হামলা, মালিবাগে পুলিশের গাড়িতে টাইম বোমা রেখে যাওয়া, খামারবাড়ি ও পল্টন মোড়ে ট্রাফিক বক্সে হাতবোমা রাখা এবং গতরাতে সায়েন্সল্যাবে পুলিশের ওপর বোমা হামলা-এর সবক’টির ধরণ একই এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যে করেছে তা নিশ্চিত হওয়া গেছে। পূর্বের সব ঘটনার তদন্তের যথেষ্ট অগ্রগতি রয়েছে। তদন্ত এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের স্বার্থে তাদের নাম পরিচয় বলা যাচ্ছে না। হামলার পর আন্তর্জাতিক একটি গোষ্ঠী একটি ওয়েবসাইট থেকে দায় স্বীকার করে-এটাকে কিভাবে দেখছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, জঙ্গি ও সন্ত্রাসী হামলা একটি বৈশ্বিক সমস্যা। কোনো কিছু ঘটলেই একটি সাইট থেকে দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয়। আদৌ সেটি সঠিক কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমরা দেশি ও বিদেশি এক্সপার্টদের সাথে কথা বে সেগুলোও তদন্তের আওতায় এনেছি। এসব ঘটনায় নগরবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেন। সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (সিটিটিসি) মো: মনিরুল ইসলাম ও ডিএমপির ডিসি (মিডিয়া) মো: মাসুদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply