ঢাকা, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ইং (দেশপ্রেম রিপোর্ট): আজ শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে একটি অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, আদালতের আদেশে শেষ মুহূর্তে ছাত্রদলের কাউন্সিল আটকে যাওয়ার পেছনে সরকারের হাত রয়েছে। সরকার বিএনপি এবং তার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে কাউন্সিল পর্যন্ত করতে দিচ্ছে না।
তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের দলের জেলা উপজেলা পর্যায়ে দলকে সুসংগঠিত করছি। এজন্য যে কাউন্সিল করা দরকার সেই কাউন্সিল করতেও অনুমতি দেয়া হচ্ছে না। তাতে বাধা দিচ্ছে সরকার। আপনারা দেখেছেন ছাত্রদলের যে কাউন্সিল হওয়ার কথা ছিল সেটাতেও কোর্ট থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।’
মোশাররফ বলেন, ‘আজকে যারা ক্ষমতায় তারা ১৯৭৫ সালে গণতন্ত্রকে হত্যা করে বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু জিয়াউর রহমান বাকশালের পরিবর্তে বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। যখন জিয়াউর রহমার বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন তখন এই দেশে আওয়ামী লীগের অস্তিত্বই ছিল না।’‘বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এ দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্বৈরশাসক এরশাদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। খালেদা জিয়া এ দেশের গণতন্ত্রের প্রতীক, গণতন্ত্রের মা, মাদার অব ডেমোক্রেসি।’
সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘তারা (আওয়ামী লীগ) একতরফা নির্বাচন করার জন্য আমাদের নেত্রীকে জেলে নিয়ে রেখেছেন। নেত্রীর কথা মতো আমরা নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলাম। খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য সেই নির্বাচনে ৮০ ভাগ লোক ধানের শীষে ভোট দেয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল। তখনই ২৯ ডিসেম্বর রাতে জনগণের ভোট ডাকাতি হয়ে গেল। গণতন্ত্রে পক্ষে বিএনপি আর আওয়ামী লীগ বার বার প্রমাণ করেছে তারা গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করে না। আজকে প্রধান বিষয় হচ্ছে গণতন্ত্র; আর গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে না পারলে দেশের এই অবস্থা থেকে আমরা পরিত্রাণ পাব না।’
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিফ বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, শরিয়তপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ আহমেদ আসলাম, তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মনিরুজ্জামান মনির, কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য লায়ন মিয়া মো. আনোয়ার, এম জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ বক্তব্য দেন।
Leave a Reply