দৃষ্টি আকর্ষন
সব সময় সর্বশেষ সংবাদ জানতে দৈনিক দেশপ্রেম নিজে পড়ুন এবং অন্যকে পড়তে উৎসাহিত করুন ........... আপনার এলাকার যে কোন সংবাদ আমাদের ছবিসহ জানান-আমরা সেটি প্রকাশ করবো দৈনিক দেশপ্রেম পত্রিকায়, নিউজ পাঠান dailydeshprem@gmail.com এই ইমেইলে ............ আপনার পণ্যের খবর সকলের কাছে দ্রুত পৌছাতে দৈনিক দেশপ্রেম পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিন ..........
শিরোনাম :
বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশনের আলোচনা সভা, সবজি বীজ ও বিভিন্ন ধরনের জৈব সার বিতরণ সমৃদ্ধ ও টেকসই বাংলাদেশ গঠনে পেশাজীবীদের অগ্রণী ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা, রাজধানীতে ছাদ কৃষির জন্য সবজি বীজ বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জুলাই যোদ্ধাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সনদে জরুরি সংশোধন হচ্ছে : ড. আলী রীয়াজ জুলাই সনদ স্বাক্ষর নিয়ে সংসদ ভবন এলাকায় উদ্ভুত পরিস্থিতিকে সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত মনে করছি : মঈন খান জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানস্থলে তিন দাবিতে অবস্থান জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা জাতীয় ঐক্যের নামে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে : জাতীয় শ্রমিক শক্তির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে নাহিদ কোনো অবস্থাতেই ফ্যাসিস্টদের আর ক্ষমতায় আসতে দেওয়া যাবে না : সালাহউদ্দিন তারেক রহমানের ৩১ দফার আংশিক প্রতিফলন জুলাই সনদে হয়েছে : এমরান সালেহ প্রিন্স ঠাকুরগাঁওয়ে সার কীটনাশক সিন্ডিকেটের বিষদাঁত ভেঙে দেওয়া হবে : ফারুক হাসান বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চিকেন অ্যানিমিয়া ভাইরাসের নতুন ধরন শনাক্ত
আমাকে মৃত ঘোষণার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন চিকিৎসকরা : বললেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

আমাকে মৃত ঘোষণার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন চিকিৎসকরা : বললেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ০৩ মে  ২০২০ইং (দেশপ্রেম রিপোর্ট):  করোনাভাইরাস থেকে সের উঠেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এরই মধ্যে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে অফিসেও ফিরেছেন তিনি। সদ্য পুত্র সন্তানের বাবা হয়েছেন। এতদিন পর রবিবার করোনায় আক্রান্ত ও হাসপাতালের আইসিইউতে কাটানো দুঃসহ স্মৃতি তুলে ধরেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।

তিনি জানিয়েছেন, তার বাচা-মরার ফিফটি ফিফটি চান্স ছিলো। এমনকি চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণার প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছিলেন।

৫৫ বছর বয়সি জনসন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ৫ এপ্রিল সেন্ট থমাস হাসপাতালে স্থানান্তরিত হয়েছিলেন এবং ১২ এপ্রিল তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। সুস্থ হওয়ার পর তিনি চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, পরিস্থিতি যেকোনো দিকে যেতে পারতো।

দ্য সানকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বরিস সেই স্মৃতির কথা বলতে গিয়ে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। তিনি জানান, চিকিৎসকরা লিটার লিটার অক্সিজেন দেয়ার পরও তেমন কোনো অগ্রগতি হচ্ছিল না। তারা আমার মৃত্যুর ঘোষণা দেয়ারও প্রস্তুতি নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।

তিনি জানান, বিশ্বাস করা শক্ত ছিল যে মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে আমার স্বাস্থ্যের এতদূর অবনতি হয়েছিল। মনে আছে হতাশা বোধ করছিলাম। আমি কেন ভাল হচ্ছি না বুঝতে পারছিলাম না।

বরিস বলেন, আমি আমার নাক ভেঙেছি, আমার আঙুলটি ভেঙেছি, কব্জিটি ভেঙেছি, আমার পাঁজর ভেঙে ফেলেছি। আমি প্রায় সবকিছু ভেঙে ফেলেছি। এছাড়াও অনেক সমস্যা হয়েছে আমার। তবে এর আগে এত গুরুতর কিছু হয়নি।

হাসপাতাল থেকে মুক্তি পেয়ে গত বুধবার ছেলেসন্তানের মুখ দেখেন বরিস। জনসন ও তার বান্ধবী সিমন্ড জানিয়েছেন, চিকিৎসকদের উৎসর্গ করে ছেলের নাম রেখেছেন উইলফ্রেড ল্যারি নিকোলাস জনসন।

নিকোলাস রেখেছেন ড. নিক প্রাইস এবং ড. নিক হার্টের নামানুসারে, যারা গত মাসে তার ‘জীবন রক্ষা করেছেন’। জনসন জানান, ডাক্তাররা তাকে সর্বোচ্চ সেবা দিয়েছেন। করোনা থেকে বাঁচায় নিজেকে সৌভাগ্যবান ভাবছেন জনসন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© Copyright 2012 Daily Deshprem Design & Developed By Mahmud IT