দৃষ্টি আকর্ষন
সব সময় সর্বশেষ সংবাদ জানতে দৈনিক দেশপ্রেম নিজে পড়ুন এবং অন্যকে পড়তে উৎসাহিত করুন ........... আপনার এলাকার যে কোন সংবাদ আমাদের ছবিসহ জানান-আমরা সেটি প্রকাশ করবো দৈনিক দেশপ্রেম পত্রিকায়, নিউজ পাঠান dailydeshprem@gmail.com এই ইমেইলে ............ আপনার পণ্যের খবর সকলের কাছে দ্রুত পৌছাতে দৈনিক দেশপ্রেম পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিন ..........
শিরোনাম :
বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশনের আলোচনা সভা, সবজি বীজ ও বিভিন্ন ধরনের জৈব সার বিতরণ সমৃদ্ধ ও টেকসই বাংলাদেশ গঠনে পেশাজীবীদের অগ্রণী ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা, রাজধানীতে ছাদ কৃষির জন্য সবজি বীজ বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জুলাই যোদ্ধাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সনদে জরুরি সংশোধন হচ্ছে : ড. আলী রীয়াজ জুলাই সনদ স্বাক্ষর নিয়ে সংসদ ভবন এলাকায় উদ্ভুত পরিস্থিতিকে সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত মনে করছি : মঈন খান জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানস্থলে তিন দাবিতে অবস্থান জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা জাতীয় ঐক্যের নামে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে : জাতীয় শ্রমিক শক্তির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে নাহিদ কোনো অবস্থাতেই ফ্যাসিস্টদের আর ক্ষমতায় আসতে দেওয়া যাবে না : সালাহউদ্দিন তারেক রহমানের ৩১ দফার আংশিক প্রতিফলন জুলাই সনদে হয়েছে : এমরান সালেহ প্রিন্স ঠাকুরগাঁওয়ে সার কীটনাশক সিন্ডিকেটের বিষদাঁত ভেঙে দেওয়া হবে : ফারুক হাসান বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চিকেন অ্যানিমিয়া ভাইরাসের নতুন ধরন শনাক্ত
কর্মীদের তোপের মুখে মিঠুনের সভাত্যাগ

কর্মীদের তোপের মুখে মিঠুনের সভাত্যাগ

বিনোদন ডেস্ক, ২৫ ডিসেম্বের২০২৪ইং (দেশপ্রেম রিপোর্ট): ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পূর্ব বর্ধমান জেলার একটি বিধানসভা হলো জামালপুর। সোমবার জামালপুর ব্লকের পাঁচড়া এলাকায় বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযানে যান জনপ্রিয় অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী।

সেখানে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় অভিনেতা সভাস্থল ত্যাগ করে চলে যান। তিনি বর্ধমানে বিজেপির কার্যালয়ে ঢুকতে গিয়েও তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের স্লোগান, পালটা স্লোগানে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মুখে পড়েন।

বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তৈরি হলে মিঠুন চক্রবর্তী বিজেপি কর্মী সমর্থকদের শান্ত হওয়ার অনুরোধ করে বলেন, তিনি চাইলে ভালো কোনো হোটেলে থাকতে পারতেন; কিন্তু তা না করে কর্মীদের জন্য সবকিছু ছেড়ে সভায় এসেছেন। মিঠুনের অনুরোধ সত্ত্বেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। শেষপর্যন্ত সভা না করেই সেখান থেকে বেরিয়ে যান মিঠুন।

পরে বিজেপি নেতা যান বর্ধমানে বিজেপির সদর দফতরে। সেখানে যেতেই আম্বেদকর ইস্যুকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা স্লোগান দিতে শুরু করেন। পালটা বিজেপি কর্মীরা স্লোগান দেন। এর ফলে দুই দলের কর্মী সমর্থকদের স্লোগান পালটা স্লোগানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে অন্য রাস্তা দিয়ে মিঠুন চক্রবর্তীকে বিজেপির কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশালসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

এ দিনের ঘটনা প্রসঙ্গে দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা স্বীকার করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী। তিনি দলের কিছু কর্মীর নিন্দা করে বলেন, অনেক কর্মী রয়েছে যাদের দলের প্রতি ভালোবাসা কম। তারা দলকে ভালোবেসে কাজ করছে না, নিজেদের স্বার্থের জন্য দলে এসেছেন। তার ফলে দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বাড়ছে। একজন কর্মীকে পদ দেওয়া হলে অন্যজন তার ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।

রাজ্যের বাইর থেকে নেতা নিয়ে বিজেপি রাজ্য পরিচালনা করছে, দিলীপ ঘোষের এমন মন্তব্য প্রসঙ্গে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, তিনি অনেক বড় নেতা। তিনি যা বলেছেন নিশ্চয়ই জেনে শুনেই বলেছেন।

সদস্য সংগ্রহ অভিযানের বিষয়ে মিঠুন জানান, জেলার সদস্য সংগ্রহ অভিযান এখনও পর্যন্ত ঠিকঠাক আছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© Copyright 2012 Daily Deshprem Design & Developed By Mahmud IT