দৃষ্টি আকর্ষন
সব সময় সর্বশেষ সংবাদ জানতে দৈনিক দেশপ্রেম নিজে পড়ুন এবং অন্যকে পড়তে উৎসাহিত করুন ........... আপনার এলাকার যে কোন সংবাদ আমাদের ছবিসহ জানান-আমরা সেটি প্রকাশ করবো দৈনিক দেশপ্রেম পত্রিকায়, নিউজ পাঠান dailydeshprem@gmail.com এই ইমেইলে ............ আপনার পণ্যের খবর সকলের কাছে দ্রুত পৌছাতে দৈনিক দেশপ্রেম পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিন ..........
শিরোনাম :
বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশনের আলোচনা সভা, সবজি বীজ ও বিভিন্ন ধরনের জৈব সার বিতরণ সমৃদ্ধ ও টেকসই বাংলাদেশ গঠনে পেশাজীবীদের অগ্রণী ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা, রাজধানীতে ছাদ কৃষির জন্য সবজি বীজ বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জুলাই যোদ্ধাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সনদে জরুরি সংশোধন হচ্ছে : ড. আলী রীয়াজ জুলাই সনদ স্বাক্ষর নিয়ে সংসদ ভবন এলাকায় উদ্ভুত পরিস্থিতিকে সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত মনে করছি : মঈন খান জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানস্থলে তিন দাবিতে অবস্থান জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা জাতীয় ঐক্যের নামে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে : জাতীয় শ্রমিক শক্তির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে নাহিদ কোনো অবস্থাতেই ফ্যাসিস্টদের আর ক্ষমতায় আসতে দেওয়া যাবে না : সালাহউদ্দিন তারেক রহমানের ৩১ দফার আংশিক প্রতিফলন জুলাই সনদে হয়েছে : এমরান সালেহ প্রিন্স ঠাকুরগাঁওয়ে সার কীটনাশক সিন্ডিকেটের বিষদাঁত ভেঙে দেওয়া হবে : ফারুক হাসান বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চিকেন অ্যানিমিয়া ভাইরাসের নতুন ধরন শনাক্ত
কেন কার্যালয়ে চাল-ডাল জমা করেছিল বিএনপি : বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কেন কার্যালয়ে চাল-ডাল জমা করেছিল বিএনপি : বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২ইং (দেশপ্রেম রিপোর্ট): আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নয়াপল্টনে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বিএনপি নেতাকর্মীরা নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বসে পরার পরিকল্পনা নিয়েছিল।

তিনি বলেন, বিএনপি পার্টি অফিসে অনেক চালের মজুদ, পানির মজুদ ছিল। চিনি ডালের মজুদ ছিল, ১৫টি অবিস্ফোরিত হাতবোমা ছিল। ছুরি কাচি ছিল। ডেগে ডেগে খিচুরি ছিল। এগুলো আনার পেছনে কারণ কি? তা আমরা জানি। বড় জমায়েত হলে এমন হয়। কিন্তু আমরা এখন শুনছি তারা এখানে সমাবেশ করতে এসে বসে পড়ার পরিকল্পনা হিসেবে এসমস্ত রসদ তারা এনেছিলেন। এসময় ভাঙচুর ও জানমালের ক্ষতি করলে পুলিশ বসে থাকবে না বলে বিএনপিকে সতর্ক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বিএনপি শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে দলীয় কাজ করেন। আপনারা মিছিল করেন, মিটিং করেন কোনো আপত্তি নেই। তবে আপনারা যদি ভাঙচুর করেন, জানমালের ক্ষতি করেন, পুলিশকে আহত করেন, তখন তো নিরাপত্তা বাহিনী বসে থাকবে না। তাদের কাজই তো প্রটেকশন দেওয়া।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘পরিস্থিতি নাজুক হয়েছে সেটা আমরা মনে করি না। পরিস্থিতি সব সময় আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তাদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক, তাদের একঘেয়েমি ছেড়ে হয় তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসুক। বিরাট সমাবেশ করুক, আমরাও দেখি, দেশবাসীও দেখবে। নয় তো কালশী মাঠে যাক। এরপরও আলোচনা হতে পারে। তারা আসুক ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে বসুক।

এসময় সাংবাদিকরা তার কাছে প্রশ্ন রাখেন- কীভাবে তারা বসবে? যারা বসবেন তাদের সবাইকে তো আটক করা হয়েছে। এটার তো পলিটিকাল সল্যুশন হওয়ার দরকার ছিল! আপনি কী পলিটিকাল সল্যুশনে ব্যর্থ হয়েছেন? একারণেই পুলিশি অ্যাকশন নেয়া হচ্ছে?

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মীর্জা ফখরুল তো আছেন। আপনার কী তাই মনে হয়? এছাড়া কোনো উপায় কী ছিল নাকি? পুলিশ যেভাবে মার খাচ্ছিল, এছাড়া কোনো উপায় ছিল না।

পুলিশ বিএনপি কার্যালয়ে হামলা করেছে, আমরা ভিডিও দেখেছি, ভাঙচুর করা হয়েছে-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ছবি আমরাও দেখেছি। হামলা করেনি, সার্চ করেছে। ভাঙচুর হতে পারে, সমর্থকরা নিশ্চয় ধাক্কা-ধুক্কা দিয়েছে। সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি হয়তো সেরকম হতে পারে।

বিএনপি অভিযোগ করেছে পুলিশ ব্যাগে করে বিএনপি কার্যালয়ে ককটেল নিয়ে গেছে- এক সাংবাদিকের করা প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, যেসব পুলিশ আহত হয়েছেন তাদের দেখে আসুন, তারা কি নিজেরা নিজেরা ককটেলে আহত হয়েছে নাকি? তারা মার খেয়েছে, ককটেলের হামলার শিকার হয়েছে।

এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, পুলিশ সব সময় মনে করে আসছে, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি যে ককটেল মারতে হবে। এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি হামলা করতে হবে পুলিশের ওপর। পুলিশ সব সময় জনগণের পাশে থাকে, জান-মালের নিরাপত্তায় কাজ করে আসছে। পুলিশ এক্সপেক্টই করেনি হামলা হতে পারে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি বিভিন্ন বিভাগে সমাবেশ করেছে, নানা কথা বলেছে, সমালোচনা করেছে, আমরা কিছুই বলিনি। কোথাও বাধা আমরা দিইনি। বড় বড় সমাবেশ করেই তারা মন খুলে কথা বলেছেন।

ঢাকায় এসেই তারা বলছেন ঢাকায় তারা বিশাল সমাবেশ করবেন। নানাভাবে খবর আসছিল ২৫ লাখ লোকের সমাবেশ করবেন। তারা প্রথম চেয়েছেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। অফিসের সামনে ও সংসদ ভবনের সামনে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তখন দেয়া সম্ভব হচ্ছিল না ছাত্রলীগের সমাবেশের কারণে। সংসদ ভবনের সামনে কাউকে অনুমতি দেয়া হয় না। প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে ছাত্রলীগের সমাবেশ আট ডিসেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর আনা হয়। ডিএমপি কমিশনার অনুমতি দেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে৷ কিন্তু তারা পল্টনেই করবেন। আমরা বিকল্প স্থানের কথা বললাম। কালশী, পূর্বাচলে। কিন্তু তারা পল্টনেই করবেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, হঠাৎ করে গতকাল শুনলাম পুলিশের ওপরে ঢিল, ইটপাটকেল, ককটেল বিস্ফোরণ, আক্রমণ করেছে। পুলিশ পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে। প্রাথমিকভাবে ৪৯ আহত হয়ে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। সিরিয়াস কয়েকজন ঢামেক হাসপাতালে আছেন। এখানে (রাজারবাগ হাসপাতালে) একজনের ৪২টা সেলাই দিতে হয়েছে। অনেকের শরীরে মারধর, আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, বেশির ভাগই হাতবোমার স্প্লিন্টারে আহত হয়েছেন। এভাবেই তারা পুলিশ সদস্যদের আহত করেছেন। পুলিশ বাহিনী নিবৃত হননি। টিয়ারশেল, রাবার বুলেট মেরেছেন।

এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আমিনুল ইসলাম খান, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুকসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© Copyright 2012 Daily Deshprem Design & Developed By Mahmud IT