দৃষ্টি আকর্ষন
সব সময় সর্বশেষ সংবাদ জানতে দৈনিক দেশপ্রেম নিজে পড়ুন এবং অন্যকে পড়তে উৎসাহিত করুন ........... আপনার এলাকার যে কোন সংবাদ আমাদের ছবিসহ জানান-আমরা সেটি প্রকাশ করবো দৈনিক দেশপ্রেম পত্রিকায়, নিউজ পাঠান dailydeshprem@gmail.com এই ইমেইলে ............ আপনার পণ্যের খবর সকলের কাছে দ্রুত পৌছাতে দৈনিক দেশপ্রেম পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিন ..........
শিরোনাম :
বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশনের আলোচনা সভা, সবজি বীজ ও বিভিন্ন ধরনের জৈব সার বিতরণ সমৃদ্ধ ও টেকসই বাংলাদেশ গঠনে পেশাজীবীদের অগ্রণী ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা, রাজধানীতে ছাদ কৃষির জন্য সবজি বীজ বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জুলাই যোদ্ধাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সনদে জরুরি সংশোধন হচ্ছে : ড. আলী রীয়াজ জুলাই সনদ স্বাক্ষর নিয়ে সংসদ ভবন এলাকায় উদ্ভুত পরিস্থিতিকে সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত মনে করছি : মঈন খান জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানস্থলে তিন দাবিতে অবস্থান জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা জাতীয় ঐক্যের নামে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে : জাতীয় শ্রমিক শক্তির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে নাহিদ কোনো অবস্থাতেই ফ্যাসিস্টদের আর ক্ষমতায় আসতে দেওয়া যাবে না : সালাহউদ্দিন তারেক রহমানের ৩১ দফার আংশিক প্রতিফলন জুলাই সনদে হয়েছে : এমরান সালেহ প্রিন্স ঠাকুরগাঁওয়ে সার কীটনাশক সিন্ডিকেটের বিষদাঁত ভেঙে দেওয়া হবে : ফারুক হাসান বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চিকেন অ্যানিমিয়া ভাইরাসের নতুন ধরন শনাক্ত
হংকংয়ের প্রত্যাবর্তন বিলের মৃত্যু হয়েছে : বলেছেন অঞ্চলটির প্রধান নির্বাহী ক্যারি লাম

হংকংয়ের প্রত্যাবর্তন বিলের মৃত্যু হয়েছে : বলেছেন অঞ্চলটির প্রধান নির্বাহী ক্যারি লাম

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ০৯ জুলাই ২০১৯ইং (দেশপ্রেম রিপোর্ট): গণবিক্ষোভের মুখে ‘মৃত্যু’ হয়েছে হংকংয়ের প্রত্যাবর্তন বিলের। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানিয়েছেন অঞ্চলটির প্রধান নির্বাহী ক্যারি লাম। তিনি বলেন, প্রত্যাবর্তন বিলটি নিয়ে সরকারের চেষ্টা স¤পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তবে বিক্ষোভকারীদের দাবি মেনে বিলটি প্রত্যাহার করে নেওয়ার কোনো ঘোষণা দেননি তিনি। ওই বিলে প্রস্তাবিত আইন অনুসারে হংকং থেকে চীনসহ যেকোনো দেশে অপরাধীদের প্রত্যাবর্তন করা যাবে। বিক্ষোভকারীদের আশঙ্কা এই আইন পাস হলে স্বায়ত্ত্বশাসিত অঞ্চলটিতে চীনের প্রভাব আরো বৃদ্ধি পাবে। চলতি বছরের এপ্রিলে এই প্রত্যাবর্তন আইনের বিরুদ্ধে প্রথম বিক্ষোভ হয়। এরপর গত মাসে হংকংয়ের রাজপথে নেমে আসে লাখ লাখ মানুষ।

দাবি জানায় আইনটির প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নেয়ার। অব্যাহত গণবিক্ষোভের মুখে প্রত্যাবর্তন বিলটি পার্লামেন্টে উত্থাপনের সময়সীমা পিছিয়ে দেয় হংকং সরকার। কিন্তু বিক্ষোভকারীদের দাবি মেনে একেবারে বাতিল করা হয়নি। তখন লাম জানিয়েছিলেন, আইনটি নিয়ে হংকং সরকার যথাযথভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার তিনি বলেন, বিক্ষোভে মুখে বিলটির মৃত্যু হয়েছে। তবে এখনো অনেকের মনে সন্দেহ রয়ে গেছে যে, সরকার লেজিসলেটিভ কাউন্সিলে বিলটি পাসের প্রক্রিয়া ফের শুরু করতে পারে। তাই আমি ফের বলছি, সরকারের এরকম কোনো পরিকল্পনা নেই। বিলটির মৃত্যু হয়েছে।

প্রত্যাবর্তন বিলটি পাস করার পক্ষে সরকারের যুক্তি ছিল, হংকং যেন অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত না হয়, সেজন্যই এই আইন প্রয়োজন। বাকস্বাধীনতার সুরক্ষা নিশ্চিতে প্রস্তাবিত আইনটিতে বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া রাজনৈতিক মামলা এই আইনের আওতাভুক্ত হবে না। সরকার আরো দাবি করেছিল, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদ-ের সঙ্গে এই প্রস্তাবিত আইন সঙ্গতিপূর্ণ। শুধু গুরুতর অপরাধের সঙ্গে স¤পৃক্ত ব্যক্তিবিশেষকেই এই আইন প্রয়োগ করে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কথা বিবেচনা করা হবে।

কিন্তু আইনটির সমালোচকরা আশঙ্কা করছেন, এই আইনের কারণে স্বায়ত্তশাসিত এই অঞ্চলটির ৭৩ লাখ বাসিন্দা, এমনকি বিমানবন্দর ব্যবহারকারী ব্যক্তিবিশেষ চীনের সরকার প্রভাবিত আদালতের নির্দেশের আওতাভুক্ত হয়ে যেতে পারেন। উল্লেখ্য, ১৮৪১ সাল থেকে বৃটিশ কলোনির অধীন ছিল হংকং। প্রথম অপিয়াম যুদ্ধের পর বৃটিশদের কাছে দ্বীপটি সমর্পণ করে দিয়েছিল চীন। পরবর্তীকালে ১৯৯৭ সালে সার্বভৌমত্ব অর্জনের পর ‘ওয়ান কান্ট্রি, টু সিস্টেম’ শর্তের আওতায় ফের চীনের কাছে হস্তান্তরিত হয় হংকং। এতে হংকং চীনের অধীনে থাকলেও তাদের নিজস্ব শাসনব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়। তখন থেকে বর্তমান পর্যন্ত এটিই ছিল অঞ্চলটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভের একটি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© Copyright 2012 Daily Deshprem Design & Developed By Mahmud IT